অনলাইন আয়ের ব্লগ

আপনার ওয়েবসাইট থাকলে আপনি কোন ধরনের সুবিধা পাবেন।

আপনার ওয়েবে বিজনেস থাকলে আপনি অনেক সুবিধা পাবেন।
ছোট ব্যবসার জন্য একটি ওয়েবসাইট  অনেক শক্তিশালি মাধ্যম। আপনি খুব সহজেই যে কোন পোডাক্ট এবং সার্ভিস বিক্রি করতে পারবেন। ২০১৯ সালে আপনার যদি ওয়েবসাইট না থাকে ,এটা তাহলে আপনার জন্য একটি খুব দুঃসংবাদ ।

ইউটিউব ভিডিও তৈরীর বিভিন্ন আইডিয়া দেখুন

১. বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি:

কিছুদিন আগেই আমার এক বন্ধু আলিবাবা থেকে ইমপোর্ট করবে এখন ক্লাইন্ট এর ওয়েবসাইট না থাকায়, ক্লাইন্ট সম্পর্কে সঠিক ধারনা পাচ্ছে না। চিন্তা করুন, আপনি কোন কিছু খুজছেন তা যদি গুগুলে সার্চ করেন এবং আপনার সার্চ করার পর যে পোডাক্ট আসে এবং তার রিভিউ যদি ভাল থাকে তবে অব্যশই আপনি সেই পোডাক্ট নিতে আগ্রহ বোধ করবেন। আপনার পোডাক্ট সম্পর্কে ভাল ধারনা তৈরী হবে।

২ সহজেই তৈরী করা যায়:

এখন ওয়ার্ডপেসের জন্য যে কোন সাইট তৈরী করা খুবই সহজ। আপনি একটি থিম সংগ্রহ করবেন এবং তা একটু কাষ্টমাইজ করে খুব সুন্দর ডায়নামিক সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন যা কিনা একসময় ছিল খুবই সময় সাপেক্ষ এবং কঠিন। এখন ওয়ার্ডপেস দিয়ে যে কোন সাইট মাত্র ১ ঘন্টায় তৈরী করা যায় এবং আপনি নিজে চাইলে খুব সহজেই যে কোন সাইট তৈরী করে ফেলতে পারবেন।

৩. খরচ কম:

আপনার বিজনেস শুরু করার জন্য কোন ডেকরেশন খরচ লাগবে না, কোন স্টাফ খরচ, অফিস/দোকান ভাড়া/বিদ্যু৭ বিল লাগবে না। সরাসরি ক্লাইন্ট থেকে ফিডব্যাক নিতে পারবেন। আপনার কম্পানি যদি বড় হয়, তাহলে নিজস্ব ফোরামের মাধ্যমে ডিসকাস করে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

র্ভাচুয়াল ভিসা বা মাষ্টার কার্ড করুন

৪. ইমপ্রুভ কাস্টমার ফিডব্যাক:

আপনার ক্লাইন্ট ফিডব্যাক এর মাধ্যমে রেগুলার আপডেট করতে পারবেন। আপনার বিজনেস আছে, এই বিজনেস আপনি সব সময় কাজ করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে আপনার টিম মেম্বাররা কেমন সার্ভিস দিচ্ছে তা আপনার ওয়েবাসইট এর মাধ্যমে বুজতে পারবেন। কাস্টমার রিভিউ দেখলেই বুজতে পারবেন।

৫. ২৪ ঘন্টাই আপনার দোকান খোলা:

আপনি এখন আর সকাল থেকে রাত প্রর্যন্ত দোকানে বসে থাকতে হবে না। আপনি ২৪ ঘন্টাই আপনার দোকান খোলা রাখতে পারবেন। আপনার কোন গ্রাহক যদি মনে করে রাত ১২ টার পর পোডাক্ট অর্ডার দিবে তাহলে তা সে অর্ডার করতে পারবে।

ইন্টারনেট ব্যবসার পেমেন্ট সলিউশন বিস্তারিত

৬. বড় বাজারে প্রবেশ করা:

আপনার যখন অনলাইন বিজনেস থাকবে তখন আপনি পৃথিবীর যে কোন দেশেই আপনার সার্ভিস দিতে পারবেন। লোকাল বিজনেস ডেভলপ হয় নির্দিষ্ট কোন এলাকা বা দেশ নিয়ে। কিন্তু অনলাইন বিজনেস পৃথিবীর সব দেশেই আছে। আর যার কারনেই আজকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিজনেস অ্যামাজনের এবং পৃথিবীর মধ্যে ধনীর লিস্টে ১ নাম্বার আছে অ্যামজনের মালিক জেফ বাজেজ।

৭. একটি দোকান:

আপনার কোন ক্যাটগরিতে কাজ করবেন। আপনি অনলাইন পোর্টফলিও, ইমেজ গেল্যারি এবং কাস্টমার রিভিউ। আপনার দোকানকে আপনি ওয়েবসাটের সাথে তুলনা করতে পারেন। আপনি চাইলে যে কোন ক্যাটগরির পোডাক্ট সেল দিতে পারেন।

৮. সময় বাচায়:

এটা খুবই টাইম সেইভ করে। বায়ার এবং কাস্টমার এর জন্য। আপনার পোডাক্ট/সার্ভিস খুব সহজেই কাস্টমার এর কাছে পেীছে দিতে পারেন। একটা গবেষনায় দেখা গেছে যে, ৭২% অনলাইনে সেল হয় এডুকেশন ম্যাটিরিয়াল, রিভিউ থেকে।

৯. আপনার নিজের বিজনেস থেকে সবসময় কানেক্ট থাকতে হবে।

আপনি চাইলে যে কোন পোডাক্ট সেল করতে পারবেন আবার চাইলে বন্ধ করতে পারবেন। আপনি দেখলেন যে কোন পোডাক্ট খুব ভাল বিক্রি হচ্ছে, আপনি সেই পোডাক্ট মার্কেটিং শুরু করে দিতে পারলেন।

ফেইসবুক যখন বাজার তখন আপনি কি ভিন্নভাবে চিন্তা করছেন?

১০. প্রতিযোগি থেকে এগিয়ে থাকবেন:

একটি ভাল ওয়েবসাইট আপনার প্রতিযোগি থেকে অনেক এগিয়ে রাখবে আপনাকে। আপনার খুব সুন্দর একটি সাইট থাকতে হবে, যেন আপনি প্রতিযোগি থেকে এগিয়ে থাকেন।

১১. অনলাইন উপস্থিতি:

ভার্জিন কম্পানি একটা সার্ভেতে দেখেছে যে, ৮৪% কাস্টমার বিশ্বাস করে যে, ছোট কম্পানী ওয়েবসাইট থাকলে তার গ্রহনযোগ্যতা বেড়ে যায়। সাধারন মেইল আইডি থেকে কম্পানীর মেইল থাকলে ৬৫% গ্রাহকের কাছে গ্রহন যোগ্যতা বেড়ে যায়।

কমেরেটে কাজ নাকি দেশের রেমিটেন্স বৃদ্ধি অথবা প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা?

১২. কাস্টমারের কাছে সু-সম্পর্ক:

আর একটি গুরুত্বপূর্ন কারন হল আপনি সরাসির কাষ্টমারের সাথে সম্পর্ক তৈরী করতে পারবেন, আপনি যেখানেই থাকুন না কেন? হতে পারে এটা নিউজ আপডেট, লাইভ চ্যাট অথবা ইমেল এর মাধ্যমে, ফেইসবুক পেইজ এর মাধ্যমে। আপনার মুল্যবান পরামর্শ আপনি যে কোন সময় দিতে পারেন।

১৩. খুব সহজেই শুরু করা যায়:

আপনি লোকল যে কোন ব্যবসায় পুজির দরকার হয়, সেখানে অনলাইন বিজনেসে কোন পুজির দরকার হয় খুবই কম। আপনার পোডাক্ট এর ভাল সোর্সিং থাকলে আপনি খুব সহজেই ব্যবসা করতে পারছেন।

ফ্রীল্যান্সিং এ আসতে চাচ্ছেন? বুঝতেছেন না কি দিয়ে শুরু করবেন? তাহলে মনযোগ দিয়ে A 2 Z এই পোস্ট টা পড়ুন।

১৪. একটি ভাল মার্কেটিং সোর্স:

আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকলে আপনি খুব সহজেই সার্ভিস এবং পোডাক্ট কাস্টমারের কাছে পেীছাতে পারছেন। এখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর জন্য আমাদের দেশে উর্বর সময়। শুধুমাত্র ঢাকা সিটিতে ফেইসবুক ব্যবহার করীর মধ্যে আমাদের অবস্থান সবার উপরে।

১৫. গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন:

নিউজ পাবলিশ, কনটেন্ট এবং ইনফরমেশন পোডাক্ট এবং সার্ভিস এর মাধ্যম গ্রাহকের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করতে পারবেন। শুধুমাত্র ইমেল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার কোন ডিসকাউন্ট এর অফার গ্রাহকে জানাতে পারবেন।
পরিশেষে বলা যায়, অনলাইন বিজনেস এখন আমাদের একটি ট্রেন্ডিং বিজনেস। আপনার কোয়ালিটি পোডক্ট এবং ভাল সার্ভিস দিলে এই ব্যবসায় অনেক সুযোগ আছে।

Exit mobile version